বাংলার মীর জাফর, জিয়াউর রহমান।

জেনে নিন মেজর জিয়ার উৎপত্তি কিভাবে হল,,,,

একজন মেজর জিয়ার সুযোগের লটারী পাওয়ার ইতিহাস!!

১৯৪৭- পাক-ভারত দেশ বিভাগের আলোচনায় জিয়া নেই।
১৯৪৯ - আওয়ামীলীগের জন্মের সময় জিয়া নেই।
১৯৫২- ২১শে ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলনে জিয়া নেই।
১৯৫৪- পাকিস্তান যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জিয়া নেই।
১৯৫৬- পাকিস্তানের সংবিধান রচনায় জিয়া নেই।
১৯৫৮- সালের আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের সময় জিয়া নেই।
১৯৬২- শিক্ষা আন্দোলনে জিয়া নেই।
১৯৬৫- পাক-ভারত যুদ্ধে জিয়া নেই।
১৯৬৬- ছয় দফা আন্দোলনে জিয়া নেই।
১৯৬৭- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় জিয়া নেই।
১৯৬৯- এর গণ অভ্যুত্থানে জিয়া নেই।
১৯৭০- পাকিস্তানের সাধারন নির্বাচন ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে জিয়া নেই।
১৯৭১- পৃথিবীর ইতিহাসের অনন্য দলিল ৭ই মার্চের ভাষনে জিয়া নেই।
১৯৭১- ১৯ মার্চ ইয়াহিয়ার এসেম্বলী কলে জিয়া নেই।
১৯৭১- ২৫ মার্চ পাকিস্তান হানাদার বাহিনী কর্ত্ক অপারেশন সার্চ লাইটের নামে নিরস্ত্র বাঙ্গালী হত্যার সেই প্রতিরোধেও জিয়া নেই।
১৯৭১- ২৫ মার্চ ভোর চারটায় ইপিআর এর ওয়ারলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণায় জিয়া নেই।
১৯৭১- ২৬ মার্চ কালুরঘাটে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার আদেশটি বেলাল আহমেদ কর্তৃক পাঠের সময়ও জিয়া নেই।
১৯৭১- সালের ২৭ মার্চ সেই কালুর ঘাটে আওয়ামীলীগের কিছু নেতা আর মেজর জিয়ার সহযোগীরা একজন মেজর জিয়াকে ডেকে এনে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার আদেশটি পাঠ করালেন।
তিল তিল করে ২৪ বছরে গড়ে উঠা বাঙ্গালীর স্বাধিকার ও মুক্তির সংগ্রামের কোথাও জিয়া নেই।
হঠাৎ একদল বর্ণচোরা কুলাঙ্গার বুদ্ধিজীবি স্বাধীনতার ২২ বছর পরে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়ে ঘোষণা দিলেন একজন মেজর জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক।
এইটা শুধু ইতিহাস বিকৃতি করা না,ইতিহাস নিয়ে চরম রসিকতা করা-----??
- নতুন প্রজন্ম এই সব জানা খুবই জরুরী।

।কিভাবে রাষ্টীয় ক্ষমতায় আসলেন জিয়া।
বিচারপতি সায়েমকে অন্যায়ভাবে সরিয়ে জিয়া নিজেই দখল করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা। ক্ষমতায় এসেই বাংলাদেশে পাকিস্তানি ভাবধারার মৌলবাদী রাজনীতি চালু করে জেনারেল জিয়া। তারই ধারাবাহিকতায় জিয়ার আমলে বাংলাদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় জামাতের রাজনীতি।  জিয়াউর রহমানের সঙ্গে জামায়ত নেতা কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম, ১৯৭৮ সালের ১১ অগাস্ট পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে আসেন।। বিচারের নামে,
বিশ্বাস ঘাতক জিয়া !! বীরউত্তম কর্ণেল তাহেরকে ১৯৭৬ সালের ২১ শে জুলাই ভোর ৪ টায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাসি কার্যকর করার মাধ্যমে হত্যা করে খুনি জিয়া...... "জিয়া শুধু আমার সঙ্গেই নয়, বিপ্লবীসেনাদের সঙ্গে, সাত নভেম্বরের পবিত্র অঙ্গীকার সঙ্গে, এক কথায় গোটা জাতির সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে। আমাদের ইতিহাসে আর একটাই মাত্র এরকম বিশাসঘাতকতার নজির রয়েছে, তা হচ্ছে মীর জাফরের.."

Comments

Popular posts from this blog

অভিজ্ঞতাবাদ

সমাজতন্ত্র ও কমিউনিজমের মধ্যে পার্থক্য কি?

BSU প্রকাশনা সমূহের নাম